জন্মভাগ্যে কি সাফল্য মেলে?

একটা চমৎকার বই পড়লাম, ম্যলকম গ্ল্যাডওয়েলের। ‘আউটলায়ার্স’ (লিটল, ব্রাউন এন্ড কোম্পানি, ২০০৮), বা বাংলায় বললে দাঁড়ায়, ‘বৃত্তের বাইরে’–নামের বইটিতে লেখক পৃথিবীর তাবত পুরোধাদের উদাহরণ টেনেছেন। অর্থ-খ্যাতি-মেধা—যে বলেই হোক না কেন যারাই সফলকাম তাদের এক্কেবারে একজনও নেই যে কিনা ‘ভাগ্যবলে কোটিপতি’! তাহলে তাদের এমন কী ছিল যেটা অন্যদের নেই?Untitled

বিল গেটসের কথাই ধরি। যখন ক্লাস এইটের ছাত্র তখন স্কুলের কম্পিউটার ক্লাব থেকে তার প্রোগ্রামিংয়ে হাতেখড়ি। গেটসের ভাষ্যমতে, এমন একটা সপ্তাহও যায় নি যখন অন্তত ৩০ ঘন্টা ঐ কম্পিউটার রুমে তিনি কাটান নি! মানে প্রত্যেকদিন কমসে কম ৪ ঘন্টা! আর সেসময়টাতে কম্পিউটারে কাজ হতো সময় ধরে, ঘন্টা হিসেবে টাইম-শেয়ারিং-টার্মিনাল ভাড়া পাওয়া যেত। এর মধ্যে আইএসআই (ইনফরমেশন সায়েন্স ইনকর্পোরোটেড) নামক এক প্রতিষ্ঠানে একটা সফটওয়্যার বানিয়ে দেয়ার বিনিময়ে গেটস পেলেন সেখানকার কম্পিউটারে ফ্রি কাজ করার সুযোগ। ঐ বছর, ১৯৭১ সালে, সাত মাসে ১,৫৭৫ ঘন্টা তিনি ব্যয় করেন কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের পেছনে। মানে হলো সপ্তাহে সাত দিন—প্রতিদিন ন্যূনতম আট ঘন্টা করে!  হার্ভার্ডের স্নাতক পড়া মাঝপথে যখন তিনি ছেড়ে দিলেন তখন ইতোমধ্যে তিনি নিজের একটা সফটওয়্যার কোম্পানির মালিক। পড়ালেখা ছেড়ে দেয়ার মধ্যে কি তার পাগলামি ছিল? নাকি ছিল সাত বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম (১০,০০০ বা তারও বেশি ঘন্টার অনুশীলন!) করে পাওয়া ‘সৌভাগ্য’?

প্রযুক্তি জগতের আরেক পুরোধা—সান মাইক্রোসিস্টেমসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল জয়ের ‘সৌভাগ্য’ও এসেছে সাধনার ছদ্মবেশে। মিশিগান ভার্সিটির এ্যান আরবার ক্যাম্পাসের কম্পিউটার সেন্টারে দিনে তার ব্যয় হতো আট থেকে দশ ঘন্টা! জয়ের ভায়ায়, “..সারারাত জেগে কাজ করতাম.. প্রতি সপ্তাহে ক্লাসের চাইতে বেশি সময় দিতাম প্রোগ্রামিংয়ের পেছনে.. মাঝেসাঝে ঘুমিয়ে পড়তাম কি-বোর্ডের উপর…!” তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়তে ছাড়তে ঠিক কত ঘন্টা তার ব্যয় হয়েছে প্রোগ্রামিংয়ের পেছনে? ১০,০০০ ঘন্টা বা কিছু বেশি!

আবার ধরুন, গান-বাজনা তো মেধার ব্যাপার, রক্তে না থাকলে কী আর গলায় সুর বাজে? এখন বিটলসের কথাই ধরি। খ্যাতিতে উঠবার আগে যখন বিটলস কেবলই একটা হাই-স্কুল ব্যান্ড সেসময় তাদের ডাক আসে জার্মানির হামবার্গে। একটা ক্লাবে গাইতে হতো তাদের। কতক্ষণ? দিনে আট ঘন্টা! ১৯৬০ থেকে ১৯৬২-র মধ্যে পাঁচবার জার্মানি যাওয়া-আসা হয়। প্রথমবার তারা গেয়েছিলেন ১০৬ টি শো-তে, প্রতিটিতে ৫/৬ ঘন্টা করে। দ্বিতীয় ট্যুরে ৯২ বার তাদের গাইতে হয়। আর তৃতীয় ট্যুরে ৪৮ বারে মোট ১৭২ ঘন্টা! ১৯৬৪ সালে প্রথমবারের মতন ‘জনপ্রিয়’ হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রায় ১২০০ বার তাদের স্টেজে পারফর্ম করা হয়ে গিয়েছিল! খুব কম ব্যান্ডই আছে যারা পুরো জীবনে হয়তো ১২০০ বার স্টেজ-পারফর্মমেন্স করার সুযোগ পায়।

এখন প্রশ্ন হলো পরিপার্শ্বের কি কোনো ভূমিকা নেই? অবশ্যই আছে। অর্থবান ঘরের সন্তান না হলে বিল গেটস হয়তো লেকসাইড স্কুলে যেতে পারতেন না। আর ১৯৬৮ সালে ঐ স্কুলের মায়েদের মিলে ৩০০০ ডলার দিয়ে কেনা কম্পিউটারে কাজ করার সুযোগও তার হতো না। কিন্তু এই সুযোগটা ঐ স্কুলের আর সব ছাত্রদের জন্যেও ছিল; বিল গেটস তাহলে সমসাময়িক সব্বার চেয়ে অনেক দূর এগিয়ে গেলেন কীভাবে? আবার বিল জয়ের কথা যদি বলতে হয়, তার ক্ষুরধার মেধাকে কী অস্বীকার করা যাবে? পরীক্ষার খাতায় তিনি যে উত্তর দিয়েছিলেন তা ছিল তার প্রফেসরদের জ্ঞানের অতীত! কাগজকলমে যে প্রোগ্রাম একদল লোকের বসে করতে হতো তা তিনি মুখেমুখে করে ফেলতেন। কিন্তু এতসবের পরও কেন তিনি মুখ গুঁজে পড়েছিলেন কম্পিউটারের সামনে? অথবা বিটলস যদি কেবল ‘জিনগত’ সুরের বলেই খ্যাতিমান হতো তবে রাতের পর রাত গান গেয়ে যাওয়া কেন? হ্যাঁ, প্রত্যেকের কাছেই সুযোগ এসেছে, কিন্তু সেটাকে কাজে তারা লাগাতে পেরেছেন অক্লান্ত পরিশ্রমের জোরেই। বিটলসের জন লেনন যেমন বললেন, “..লিভারপুলে এক ঘন্টা গাইতে হলে আমরা কেবল আমাদের সেরা গানগুলোই বার বার গাইতাম। কিন্তু হামবার্গে আট ঘন্টার শো করতে গিয়ে দেখলাম গান ফুরিয়ে আসছে.. অতএব ভীষণ চেষ্টা করতে হতো নতুন নতুন সুর খুঁজতে.. এই করতে গিয়েই গানের পেছনে আমাদের রক্ত-ঘাম-আত্মা মিশে গেল-তৈরি হলো নতুন নতুন সুর- নতুন গায়কী-”

এখন প্রশ্ন হলো, আমরা তাহলে সফল হতে পারি না কেন? মূলত দুইটা কারণ:
প্রথমত, আমরা ভাবি সফল হতে গেলে ‘জন্মভাগ্য’ আবশ্যক। কখনও এটাতে বোঝায় ‘পারিপার্শ্বিক সুযোগ-সুবিধা আমার নেই’, কখনও ‘অমুকের মতন আমার আমার ব্রেইন ভালো না’ অথবা ‘আমার কোনো মেধা নেই। কিন্তু যেমনটা লেখক দেখালেন, পরিবেশের অজুহাত কেবলই বাক্ওয়াস। আর, উল্টোদিকে, ‘ন্যাচারাল ট্যালেন্ট’ও যে খুব আহামরি সাফল্যের জন্ম দেয় তা-ও না। বরং পরীক্ষা করে দেখা গেল খুব সাধারণ মানের মানুষেরাই অনেক বেশি সফল; কারণ অতিরিক্ত-আত্মবিশ্বাস নেই বলে অনুশীলনের বেলায় তারা কোনো ফাঁকিবাজি করেন না।

আর দ্বিতীয়ত, আমরা মুখে যত বড় বড় কথাই বলি না কেন বাস্তবে ততটা কাজ করি না। হ্যা, পরিশ্রম করি ঠিকই; কিন্তু ঠিক যতটা ‘আত্মপ্রসাদ’ লাভ করি- ভাবি ‘প্রচুর কাজ করে ফেলেছি’—ততটা আসলে যথেষ্ট না। এই ব্যপারটা মানতে কষ্ট হলেও আমার নিজের বেলায়ও দেখেছি- খুব সত্যি। গ্র্যাজুয়েশনের পাশাপাশি একটা চাকরি করতে গিয়ে গ্রেড ‘এ’ থেকে ‘এ-মাইনাস’ হলেও দেখি গায়ে লাগছে না! মনে মনে অজুহাত দাঁড় করাই: চাকরি করে রাত ১০টায় বাসায় এসে এর থেকে বেশি কী পড়ালেখা করা যায়! কিন্তু তা তো না। তাহলে ঠিক কতটা হলে যথেষ্ট? এ ব্যাপারে এক শিক্ষক আমাকে বলছিলেন তার জীবনের কথা। বিবিএ আর কম্পিউটার সায়েন্স একসাথে পড়েছেন তিনি, আমেরিকার খরচ চালাতে গিয়ে সপ্তাহে ৬০ ঘন্টা তিনটা পার্ট-টাইম চাকরি করেছেন! এরপরও জিপিএ ৪.০ রেখেছেন। স্যারের কথা হলো, “খুব সাধারণ মানের মেধা নিয়েও আমি যে রেজাল্ট করেছি অনেক প্রতিভাবান তা পারে নি; কারণ মেধায় পাল্লা দিতে না পারি, অন্য কেউ যেন আমার থেকে বেশি পরিশ্রম না করতে পারে—এই জেদ আমার ছিল”।

অতএব, পরিশ্রম করতে হবে। ম্যালকম গ্ল্যাডওয়েলের মতে ১০,০০০ ঘন্টা- নাওয়া/ খাওয়া ভুলে, ঘোর লাগা স্বপ্নাহতের মতন, উদ্ভ্রান্তের মতন-তবেই সাফল্য অর্জিত হবে। যে চূড়াটায় উঠতে ইচ্ছে হয় তা তো সাধ্যের বাইরে নয়, কঠিন হোক অসম্ভব তো নয়।

গুগল ট্রান্সলেটে যোগ হলো নতুন ১৩টি ভাষা

গুগল ট্রান্সলেটে নতুন ১৩টি ভাষা যোগ করা হয়েছে। ফলে গুগলে এখন থেকে বিশ্বের ১০৩টি ভাষার অনুবাদ করা যাবে; যা বিশ্বের ৯৯ শতাংশ অনলাইন ব্যবহারকারীর সমস্যার সমাধান করবে বলে এক ব্লগে জানানো হয়েছে।Google Translate

গুগল ট্রান্সলেটে স্থান পাওয়া নতুন ভাষাগুলোর মধ্যে আমহেরিক (ইথিওপিয়া), ফ্রিসিয়ান (নেদারল্যান্ড, জার্মানি), কিরগিজ (কিরগিজস্তান), হাওয়াইন (হাওয়াই), কুর্দিশ (তুরস্ক, ইরাক, ইরান, সিরিয়া), সিন্ধ (ভারত, পাকিস্তান), পাস্তো (আফগানিস্তান, পাকিস্তান), জোসা (দক্ষিণ আফ্রিকা) উল্লেখযোগ্য।

প্রতিষ্ঠানটি এক ব্লগ পোস্টে জানায়, ২০০৬ সালের এপ্রিলে যখন যাত্রা শুরু হয়, তখন ইংরেজি থেকে শুধুমাত্র আরবি, চীনা ও রাশিয়ান ভাষায় অনুবাদের সুবিধা ছিল। দশ বছর দীর্ঘ সময়ে নতুন ১৩টিসহ বর্তমানে মোট ১০৩টি ভাষা অনুবাদ করা সম্ভব হচ্ছে। একশর বেশি ভাষা অনুবাদ করার সুযোগ তৈরি হলেও এখনও অনেক কাজ বাকি। গুগল ট্রান্সলেটকে কীভাবে আরো জনপ্রিয় করা যায় প্রতিনিয়ত সে বিষয়ে কাজ করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, একটি ভাষা অনুবাদের জন্য ছয়ভাবে সহায়তা করতে পারে গুগল ট্রান্সলেট। এ উপায়গুলো হলো— টাইপ, টক, স্ন্যাপ, সী, রাইট এবং অফলাইন। অর্থাৎ নির্দিষ্ট কোনো ভাষার একটি শব্দ টাইপ করে বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা যেতে পারে। গুগল ট্রান্সলেটের রিয়েল টাইম অনুবাদ ফিচার ব্যবহার করে দ্বৈত ভাষার কথপোকথনে অংশ নেয়া সম্ভব। এর স্ন্যাপ ফিচার ব্যবহার করে বিভিন্ন ছবির ওপর লেখা একাধিক ভাষায় অনুবাদ করা যায়। স্মার্টফোন ক্যামেরা ব্যবহার করে কোনো একটি বাক্যের তাত্ক্ষণিক ভাষান্তর করা যায়। আঙ্গুল দিয়ে কোনো ভাষার বর্ণ বা শব্দের চিত্র অঙ্কন করে অনুবাদ করা সম্ভব। এমনকি ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াও গুগল ট্রান্সলেট ব্যবহার করে ভাষার অনুবাদ করা যেতে পারে।

Robots as true helpers and colleagues?

DSC_6860_web
This article was published in our newsletter.

The more intelligent machines become in the digital age, the more closely they will work side by side with human beings: it will not be long before a robot on the production line will be interacting with its human colleagues. It will know when they are tired and need a break or a change. Such robots need very special capabilities: intuitive operation, for instance via language or gestures, and highly precise sensors. Only then will man-machine interaction run smoothly.

Electronic butler

Care-O-bot-3-ueberreicht-ein-Getraenk_web

Image Electronic butler
© Fraunhofer IPA
Robots will even be able to work as cleaners in future.
Care-O-bot 3, a highly sensitive robot of just this kind, has been developed by the Fraunhofer Institute for Manufacturing Engineering and Automation (IPA) in Stuttgart and is now ready for series production. This electronic butler, which is slightly shorter than an average man, moves quietly and smoothly through rooms and corridors. It navigates using cameras installed in the rooms and has sensors in its “skin” which react to touch. Equipped with a robotic arm and a swivelling interactive display, Care-O-bot 3 is able to take receipt of parcels at the front door and hand them over to the recipient, serve drinks or regularly fetch the blood pressure monitor.

Help for senior citizens

Image Help for senior citizens
© Fraunhofer IPA
Friend and helper: in future, robots will be able to work as carers.
For senior citizens, life with a personal robotic assistant could prove to be a viable alternative to an old people’s home, as the robot’s functionality can be expanded considerably thanks to the Internet: if for example Care-O-bot 3 has fetched the blood pressure monitor, the readings can be forwarded to a service centre and monitored. If necessary, service centre staff can talk to the patient directly via the built-in camera or arrange a consultation with a doctor.

Service robots for industry: careful and tireless

Service robots can likewise provide useful assistance in industry. The Fraunhofer Institute for Factory Operation and Automation (IFF) in Magdeburg for example is collaborating with mechanical engineering and software firms to design a robot capable of handling sensitive materials. ISABEL – an innovative autonomous and intuitively operated service robot for efficient handling and logistics – is currently undergoing laboratory trials. It takes trays of test-tubes from one place to another without causing damage to the valuable samples.

For an industrial robot to be able to do precision work with great care, it needs to have a very accurate perception of its environment. The researchers at the IFF have therefore designed a special light-field camera. Comprising 15 individual cameras, it gives the robot such sharp “eyes” that it can even distinguish between transparent or shiny objects – the sort of things conventional robots tend to overlook.

আবারও শীর্ষ ধনী বিল গেটস

bill-gates_0

বিশ্ব ধনীর তালিকায় আবারও শীর্ষস্থান দখল করেছেন বিল গেটস। বর্তমানে তাঁর সম্পদের পরিমাণ ৮৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার বা ৮৭৪০ কোটি ডলার। ওয়েলথ-এক্স এবং বিজনেস ইনসাইডার এবারের তালিকাটি তৈরি করেছে।

প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, শীর্ষ ৫০ ধনীর মোট সম্পদের পরিমাণ ১ দশমিক ৪৫ ট্রিলিয়ন ডলার (এক লাখ কোটিতে এক ট্রিলিয়ন)। শীর্ষ ৫০ জনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশই পুরোপুরি নিজেকে একা এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন, যাকে বলা হয়, ‘সেলফ মেড ম্যান’। শীর্ষ ৫০ জনের মধ্যে ২৯ জনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। এর পরে চীনের রয়েছে চারজন। তৃতীয় স্থানে ভারতের রয়েছে তিনজন।

বর্তমানে প্রযুক্তিই আনছে অর্থবিত্ত। ওয়েলথ-এক্স ও বিজনেস ইনসাইডার একে বলছে, ‘টেক ইজ কিং’। তালিকার ১২ জনেরই মূল ব্যবসা প্রযুক্তিসম্পর্কিত। আর সবচেয়ে কম বয়সী বিত্তবান হচ্ছেন ফেসবুকের সহ-উদ্যোক্তা মার্ক জাকারবার্গ। তাঁর বয়স এখন ৩১ বছর। ৪২.৮ বিলিয়ন ডলার নিয়ে তিনি আছেন তালিকার অষ্টম অবস্থানে। সবচেয়ে বেশি বয়সের ধনী হচ্ছে ল’রিয়েলের লিলিয়ানে বেটেনকোর্ট। ৯৩ বছরের লিলিয়ানে তালিকায় আছেন ২৯ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ নিয়ে ১৭তম স্থানে।

তালিকায় শীর্ষ ধনী বিল গেটসের পরেই আছেন ফ্যাশন জগতের অন্যতম নাম আমানসিও ওর্তেগা। তিনি স্পেনের মানুষ, পোশাক বিক্রির প্রতিষ্ঠান জারার মালিক। এরপরেই আছেন বিনিয়োগগুরু ওয়ারেন বাফেট, আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস এবং কোচ ইন্ডাস্ট্রির দুই ভাই ডেভিড কোচ ও চার্লস কোচ। তালিকার ৪৬ জনই পুরুষ। ৪ জন নারী বিলিয়নিয়ার থাকলেও তাঁরা অর্থবিত্ত পেয়েছেন উত্তরাধিকার সূত্রে।

বিল গেটসের বয়স এখন ৬০, তিনি মাইক্রোসফটের সহ-উদ্যোক্তা। এখন তাঁর আরেকটি পরিচয় হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম মানবহিতৈষী। জনহিতকর কাজে সম্পদের অন্তত ৫০ শতাংশ দান করার জন্য ‘গিভিং প্লেজ’ নামের যে কর্মসূচিটি রয়েছে তার উদ্যোক্তা বিল গেটস।

স্পেনের ওর্তেগার মোট সম্পদ ৬৬.৮ বিলিয়ন ডলার। তাঁর মূল কোম্পানি ইনডেটেক্স। ৬০.৭ বিলিয়ন ডলারের মালিক ওয়ারেন বাফেটের মূল কোম্পানি বার্কসায়ার হাতাওয়ে। তিনিও গিভিং প্লেজের অন্যতম উদ্যোক্তা। আমাজন ডট কমের জেফ বেজোসের সম্পদের পরিমাণ ৫৬.৬ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের কোচ ইন্ডাস্ট্রির দুই ভাই ডেভিড ও চার্লস কোচের সম্পদ যথাক্রমে ৪৭.৪ ও ৪৬.৮ বিলিয়ন ডলার। শীর্ষ ১০-এর বাকি ৪ জন হলেন যথাক্রমে ওরাকলের লরেন্স এলিশন (৫৪৫.৩ বিলিয়ন ডলার), মার্ক জাকারবার্গ, ব্লুমবার্গের মাইকেল ব্লুমবার্গ (৪২.১ বিলিয়ন) এবং সুইডেনের খুচরাবিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ইনভার কামপ্রাড (৩৯.৩ বিলিয়ন)।

এরপরে তালিকায় আছেন যথাক্রমে অ্যালফাবেট-গুগলের লরেন্স পেজ ও সার্জেই ব্রিন, ওয়ালমার্টের জেমস, স্যামুয়েল ও এলিস ওয়ালটন, চীনের ডালিয়েন ওয়ান্ডা গ্রুপের ওয়াং জিয়ানলিং, ফ্রান্সের লিলিয়ানে বেটেনকোর্ট ও গ্রুপ আরনল্টের বার্নার্ড আরনল্ট, এরপরের তিনজনই হচ্ছে চকলেট প্রস্তুতকারী মার্সের ফরেস্ট মার্স, জ্যাকুলিন মার্স ও জন মার্স।

ভারতীয়দের মধ্যে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রির মুকেশ আম্বানি আছেন ২৭তম অবস্থানে। তাঁর সম্পদ ২৪.৮ বিলিয়ন ডলার। ৪৩তম অবস্থানে থাকা ওয়াইপরোর আজিম প্রেমজির সম্পদ ১৬.৫ বিলিয়ন ডলার এবং ৪৪তম অবস্থানে আছেন সান ফার্মার দিলীপ সাঙ্গভি। তাঁর সম্পদ এখন ১৬.৪ বিলিয়ন ডলার।

Smart new working world

This article was published in our newsletter. 

A New York University employee working out of Berlin or digital nomads who move from country to country and set themselves up at different co-working spaces – the world of work is undergoing profound changes as a result of the digitization of all areas of life. A new era is dawning not only for “knowledge workers”, however, but also in factories.

The digital revolution is having a major impact on work

Image The digital revolution is having a major impact on work
Teamwork: man and machine will work more closely together in future.

Like the steam engine and mass production before it, the computer began its triumphant advance in the twentieth century. Now we are seeing the next phase of the industrial revolution. In large automotive plants, remote-controlled robots are already welding vehicle body parts together. As yet, they have few points of contact with factory workers and perform their tasks separately, but in future they will work more closely together.

Intelligent and empathetic robots

Image Intelligent and empathetic robots
Virtual companion: digital technologies are playing an increasingly important role in workflows.

This is confirmed by cognitive scientist Dr Gerhard Rinkenauer from the https://arfintech.wordpress.com/2016/02/13/smart-new-working-world (IfADo). He wants to teach robots to take account of the needs of their human colleagues. Working together with IT experts and psychologists, he reproduces workflows in the lab, questions test subjects, measures brain currents and skin temperature and uses his findings to develop algorithms. He hopes that these will enable robots to adapt to human motion sequences and to detect how employees are feeling: are they perhaps lacking in concentration or even exhausted and in need of a break?

Besides the IfADo, numerous other German research institutions and companies are studying man-machine interaction in the working environment, for example the German Research Center for Artificial Intelligence (DFKI), the Fraunhofer IAO and Festo.

Key questions about the future of work

How is the digital revolution affecting us? Scientists in Germany are exploring the consequences not only for society but also for the individual:

  • If it is possible to work anywhere in the world, how will this affect people and the quality of their work?
  • Which new jobs will be created by digitization?
  • What needs to be considered if man and machine work more closely together in the factory of the future?

Will the quality of work change?

“What interests us above all is how the digital revolution will change the quality of work”, is how cognitive scientist Dr Gerhard Rinkenauer sums it up. He believes that there will be aclear division of labour in the factory of the future:

  • humans will be responsible for tasks requiring sophisticated cognitive and fine motor skills,
  • machines will take care of work requiring endurance and strength.

Technical solutions alone are not enough

Yet Gerhard Rinkenauer is quite certain that technical solutions alone will not be enough, as many other factors will need to be taken into consideration: how can jobs be saved? And how should employees be prepared to deal with these new technical developments? Companies should invest in education and training so that less skilled and older people learn how to handle the new technologies. “Only then can both sides win – those who will reap the benefits of these new forms of business and production, and those who actually do the work

ইংল্যান্ডে ব্রোঞ্জ যুগের বাড়ি আবিষ্কার!

ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজশায়ারে ব্রোঞ্জ যুগের একটি বাড়ি খুঁজে পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। ৩ হাজার বছর আগের গোল কাঠের বাড়িটির অনেকটাই উদ্ধার করা গেছে বলে জানা গেছে। এর আগে রোমের পম্পেই শহরে উদ্ধার করা হয়েছিল ব্রোঞ্জ যুগের একটি বাড়ি। ওই বাড়ির সঙ্গে এর মিল খুঁজে পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। পম্পেই শহরের ওই বাড়িটি ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতের জন্য ভষ্মীভূত হয়ে যায়। তবে ক্যামব্রিজশায়ারের বাড়িটি ৩ হাজার বছর আগে একটি নদীর তলায় ডুবে গিয়েছিল। বাড়ির মধ্যে থেকে বহু সামগ্রী উদ্ধার করা গেছে। তার বেশির ভাগ জিনিসই ব্রোঞ্জের তৈরি বলে জানা গেছে। এছাড়া ব্রোঞ্জ যুগের পশুর হাড়, কাঠের বাটি, কাঁচের পুঁথি এমনকি ৩ হাজার বছরের পুরনো খাবার ভর্তি পাত্রও পাওয়া গেছে।
Bronj home
গত বছরের আগস্ট থেকে এই উদ্ধার কাজ চলছে। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের মাধ্যমে এই উদ্ধার কাজটি করা হচ্ছে। খ্রিস্টপূর্ব ৯২০ থেকে ৮০০-র মধ্যে বাড়িটিতে আগুন লাগে। এতে ভষ্মীভূত হয়ে যায় বাড়িটি। এছাড়া ব্রোঞ্জ যুগের মানুষের মাথার খুলিও পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত জানা যায় নি উদ্ধারকৃত খুলিটি যার; তিনি আদৌ আগুনে পুড়ে মারা গিয়েছিলেন কিনা।